প্রশ্ন : জয়দেবকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনুর্ভুক্তির কারণ নির্দেশ করে পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাবের স্বরূপ বিশ্লেষণ করুন।
অথবা,
প্রশ্ন : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে জয়দেবকে অন্তর্ভুক্তির কারণ নির্দেশ করে তাঁর প্রভাব বিশ্লেষণ করুন।
অথবা,
প্রশ্ন : বাংলা সাহিত্যে জয়দেবের অবদান ও প্রভাব আলোচনা করুন।
অথবা,
প্রশ্ন : ‘গীতগোবিন্দ’-এর উপর ভিত্তি করে বাংলা সাহিত্যে জয়দেবের প্রভাব আলোচনা করুন।
অথবা,
প্রশ্ন : পরবর্তী বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির উপর জয়দেবের প্রভাব বিশ্লেষণ করুন।
অথবা,
প্রশ্ন : “জয়দেব বাংলা সাহিত্যের কবি না হয়েও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ”—উক্তিটি বিচার করুন।
উত্তর : জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যের ভাষা সংস্কৃত—অতএব বাংলা সাহিত্যের আলোচনায় এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিশেষত আরও অনেক বাঙালি কবিই যখন প্রাকৃত ও সংস্কৃত ভাষায় বহু কাব্য রচনা করে গেছেন তখন বাংলা সাহিত্যের আলোচনায় শুধু জয়দেবের অন্তর্ভুক্তির যথার্থ নিয়ে কেউ কেউ মনে সংশয় পোষণ করে থাকেন। তথাপি জয়দেবকে বাংলা ভাষা ও বাঙালি আপন করে নিজেছেন এবং বাংলা সাহিত্যের কবিরা জয়দেবকে তাদরে নিজ সাহিত্যের মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর পেছনে নানা কারণ রয়েছে। সেগুলি নিম্নে আলোচিত হল— বঙ্কিমচন্দ্র জয়দেব গোস্বামীকে ‘বাঙালী কবি’ এবং ‘বাঙলার প্রাচীন কবি’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই হিসাবেও আমরা বাংলা সাহিত্যের আলোচনায় তাঁকে স্থান দিলে অযৌক্তিক হয় না। জয়দেব গোস্বামীকে বাদ দিয়ে সামগ্রিকভাবে বাংলা সাহিত্যের আলোচনা সম্ভবপর নয়, কারণ তিনি শুধু বাংলার আদি কবিই নন, তাঁকে যদি বাংলা সাহিত্যের স্রষ্টা বা পথপ্রদর্শক বলা যায়, তাহলেও অত্যুক্তি হয় না। এ প্রসঙ্গে ডঃ সুকুমার সেন বলেছেন——ইনি এক হিসাবে বাঙ্গালা প্রভৃতি আধুনিক আর্যভাষার আদি কবিও বটে। ইহারই গীতিকবিতার আদর্শে বাঙ্গালা দেশে, মিথিলায় ও অন্যত্র রাধাকৃষ্ণ পদাবলী ও অনুরূপ গীতিকবিতার ধারাস্রোত নামিয়াছিল।”
ঐতিহাসিক দিক থেকে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য-রচিত ‘চর্যাপদ’গুলিই বাংলা ভাষায় রচিত সাহিত্য-প্রচেষ্টার আদি নিদর্শনরূপে গৃহীত হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলা সাহিত্যের ধারায় এটি একান্তই নিঃসঙ্গ পথিক-এর কোনো উল্লেখযোগ্য উত্তরসূরী নেই বললেই চলে। পক্ষান্তরে চর্যাপদের সমকালেই জয়দেব গোস্বামী সংস্কৃত ভাষায় ‘গীতগোবিন্দ’ রচনা করলেও এর অব্যবহিত পরেই, আদি-মধ্যযুগ থেকে বাংলা সাহিত্য যে ধারাবাহিকতা নিয়ে এগিয়ে চলতে থাকে, তার প্রায় সর্বত্র গীতগোবিন্দের প্রভাব সুস্পষ্ট। বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ এবং বিদ্যাপতিতে যার শুরু, সেই জয়দেব প্রভাব রবীন্দ্রসাহিত্যেও স্তিমিত নয়। কাজেই বাংলা সাহিত্যের প্রায় সর্বদেহে পরিব্যাপ্ত জয়দেব-প্রভাব যখন অনস্বীকার্য তখন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনায় জয়দেবের অন্তর্ভুক্তি শুধু প্রাসঙ্গিকই নয়, অপরিহার্যও বটে।
অনুবাদ সাহিত্যকে বাদ দিলে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দুটি ধারাই প্রধান—একটি গীতিকবিতার, অপরটি কাহিনি কাব্যের। গীতিকাব্যের ধারা বলতে প্রধানত বৈষ্ণবপদ-সাহিত্যকেই বুঝিয়ে থাকে এবং নিঃসন্দেহে বলা চলে এই ধারাটির সৃষ্টি ‘গীতগোবিন্দ’কে অনুসরণ করেই। কাব্যের গঠন এবং বিষয় উভয় দিক থেকেই আমরা জয়দেবকে অনুসরণ করেছি। যতখানি সম্ভব যুক্তাক্ষর বর্জিত সরল ধ্বনিযুক্ত শব্দ ব্যবহার এবং ছন্দের সঙ্গে ভাবের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক স্থাপন করে যে অমৃতমধুর বৈষ্ণব পদাবলী দীর্ঘকাল বাংলা ভাষায় রচিত হয়ে আসছে তার আদর্শ জয়দেব।
বিষয়ের দিক থেকেও দেখা যায় যে রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলার মধ্য দিয়েই যে মানবিক আকৃতি সার্থকভাবে প্রকাশিত হয়েছে, তারও প্রথম নিদর্শন পাই ‘গীতগোবিন্দ’-এ। তারপর গোটা মধ্যযুগ ধরে সহস্র বৈষ্ণবপদে তারি অনুসৃতি লক্ষ্য করা যায়। সমগ্র বৈষ্ণব সাহিত্যে যে পরকীয়া প্রেমেরই জয়-জয়কার ঘোষিত হয়েছে, তারও মূলে রয়েছে জয়দেবের ‘গীতগোবিন্দ’। ধর্মীয় সাহিত্যে তত্ত্বপ্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ চর্যাপদে। কিন্তু পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে এই রীতি বর্জিত হয়েছে, পক্ষান্তরে অবলম্বিত হয়েছে জয়দেব রীতি – যেখানে মধুর রসের আস্বাদনেই ভাগবৎ-প্রেমেরই উপলব্ধি ঘটে।
চর্যাপদের পরই বাংলা ভাষায় রচিত সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ বড়ু চণ্ডীদাস-রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ গ্রন্থটি একেবারে গীতগোবিন্দের আদলে তৈরি। গীতগোবিন্দের মতোই এখানেও রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই—পাত্রপাত্রী এই তিনজনের উক্তি-প্রত্যক্তির মাধ্যমে এই নাটগীতি রচিত হয়েছে। গীতগোবিন্দের বহুপদের আক্ষরিক অনুবাদও এই গ্রন্থে রয়েছে। প্রথম বৈষ্ণবপদকর্তা বিদ্যাপতি ঠাকুর যে ‘নবজয়দেব’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন তা থেকেই তাঁর উপর জয়দেবের প্রভাব অনুভূত হয়। তিনি জয়দেবের মতো ‘বিলাসকলাকুতূহল’ পদই রচনা করেছেন। রাধাকৃষ্ণের প্রেমের লীলা-বৈচিত্র্য অবস্থান্তরের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন গীতিপ্রাণ পদের সৃষ্টির প্রথম প্রয়াস লক্ষ্য করা যায় বিদ্যাপতি ও চৈতন্যপূর্ব চণ্ডীদাসের বৈষ্ণব পদে—বলা যায় বিদ্যাপতিই এই ধারার প্রথম প্রবর্তক।
মহাপ্রভু চৈতন্যদেব সাগ্রহে জয়দেবের পদের রস আস্বাদন করতেন। তাঁর রাধাকৃষ্ণপ্রেম-বিহ্বলতার মূলেও জয়দেবের ভূমিকা অবশ্যই স্বীকার করে নিতে হয়। সব মিলিয়ে দেখা যায়, বৈষ্ণব পদ সাহিত্যের এবং গীতিকবিতার সৃষ্টি ও পুষ্টিতে জয়দেবের দানই সম্ভবতঃ সর্বাধিক।
এই সমস্ত কারণেই বাংলা সাহিত্য আলোচনায় জয়দেব অপরিহার্য। ডঃ অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে—“জয়দেবকে বাদ দিয়া কি প্রাচীন, আর কি আধুনিক—বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের আলোচনা পূর্ণ হইতে পারে না।”
বাংলা সাহিত্যে জয়দেবের প্রভাব : প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের উপর জয়দেবের প্রভাব স্মরণীয়। বৈষ্ণব পদাবলীর ভাষা, শব্দপ্রয়োগ, ধ্বনিঝংকার, অলংকার কৌশল প্রভৃতিতে জয়দেবের প্রভাব পরিলক্ষিত। পদাবলীর চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস, রায়শেখরের পদে রাধাকৃষ্ণলীলায় যার চূড়ান্ত পরিণতি, জয়দেবের মধ্যে তার সার্থক সূচনা। জয়দেবের অনেক পদ কাব্যমূল্যে নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর কিন্তু তাঁর ধ্বনিঝংকার চৈতন্য পরবর্তী অনেক সফল পদকর্তা জ্ঞানদাস, জগদানন্দ, যদুনন্দন প্রভৃতি অনুসরণ করে পদ রচনা করেন।
বড়ু চণ্ডীদাস তাঁর ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর নানাজায়গায় ‘গীতগোবিন্দের সাক্ষাৎ অনুসরণ করেছেন। যথা—‘গীতগোবিন্দ’।
“অবিরল-নিপতিত-মদনশরাদিব ভবদাবনায় ‘বিশালম্।
স্ব-হৃদয়মর্মানি বর্ম্ম করোতি সজলনলিনীদলজালম্।।”
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের একটি পদে তাঁর সার্থক রূপায়ন। যেমন—
“অহো নিশি মদন মারে তারে শরে।
হৃদয়ে নলিনীদল সংনাহা করে।।”
অথবা,
“স্তনবিনিহিতমপি হারমুদারম্।
সা মহুতে কৃশতনুরিব ভারম।।”
বড়ু চণ্ডীদাস যার স্বচ্ছন্দ অনুবাদ করেন—
“তনের উপর হারে। আল মানএ যেহেন ভারে।
আতি হৃদয়ে খিনী রাধা চলিতে না পারে।।”
অথবা,
নিন্দতি চন্দনমিন্দু কিরণমনুবিন্দতি খেদমধীরম্।
ব্যালনিলয়মিলনেন গরলমিব কলয়তি মলয়সমীরম্।।”
রাধাবিরহ অংশে—
“নিন্দএ চান্দ চন্দন রাধা সব খনে।
গরল সমান মানে মলয় পবনে।।”
শুধু এই স্বচ্ছন্দ বা ভাবানুবাদ নয়, কেবল বিষয় বা রচনা রীতিরই মিল নয়। উভয়ের মধ্যে গঠন সাদৃশ্যও বিদ্যমান।
জয়দেবের পদগুলি ছন্দ পরবর্তীকালে বাংলা পদসাহিত্যকে প্রভাবান্বিত করেছিল। পয়ার ও ত্রিপদীর আদিম রূপ গীতগোবিন্দের কোনো কোনো পদে আকস্মিকভাবে ধরা পড়েছে। যেমন—
“বিহরতি হরিরিহ সরসবসন্তে।”
কিংবা,
“হরিরিতি হরিরিতি জপতি সকামম্,
বিরহবিহিতমরণেব নিকামম্।।”
পঙক্তিগুলি পাঠ করলেই পয়ার ছন্দের সুর ধরা পড়ে। পাদাকুলক, ত্রিপদী, চৌপদী—যেখান হতেই পয়ারের জন্ম হোক না কেন, গীতগোবিন্দের মধ্যে তার একটা আদিম রূপ করা যায়। এই যুগের ষোড়শ মাত্রার পাদাকুলক ছন্দ যে ধীরে ধীরে পয়ারে রূপান্তরিত হচ্ছিল তার প্রথম স্তর হল গীতগোবিন্দের এই পক্তিগুলি।
প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্যের প্রিয় ছন্দ ত্রিপদীর সুরও ‘গীতগোবিন্দ’র কোথাও কোথাও স্পষ্টভাবে মিলেছে—
“পততি পতত্ৰে বিচলতি পত্রে শঙ্কিত-ভবদুপযানম্।
রচয়তি শয়নং সচকিত-নয়নং পশ্যাতি তব পন্থানম্।।”
এমনটি আধুনিক কালে রবীন্দ্রনাথের পঞ্চমাত্রিক মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত—
“পঞ্চসরে দ্বগ্ধ করে করেছ একী সন্ন্যাসী
বিশ্বময় দিয়েছ তারে ছড়ায়ে,—
এবং—
“সাগর জলে সিনান করি সজল এলো চুলে
বসিয়াছিলে উপল-উপকূলে।”
এই পঙক্তির সঙ্গে,
“বদসি যদি কিঞ্চিদপি দন্তরুচি কৌমুদি
হরতিদর তিমিরমতি ঘোরম্।।”
—পক্তির ধ্বনিস্পন্দন প্রায় একই রকম।
দৌলত কাজীর ‘সতীময়না’ কাব্যে, সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যে নায়িকাদের রূপ বর্ণনায় জয়দেবের প্রভাব পড়েছে। কেবল মধ্যযুগ নয়, আধুনিককালেও মধুসূদন থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত সকলেই জয়দেবকে সাগ্রহ স্বীকৃতি দিয়েছেন। মধুসূদন যে জয়দেবের সঙ্গে গোকুলভবনে মানসপরিক্রমা করেছিলেন—
“চল যাই, জয়দেব, গোকুল-ভবনে
তব সঙ্গে, যথা রঙ্গে তমালের তলে
শিখিপুচ্ছ চূড়াশিরে, পীতধড়া গলে
নাচে শ্যাম, বামে রাধা—সৌদামিনী ঘনে!”
বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর কথাসাহিত্যে নায়িকার রূপ বর্ণনায়, প্রকৃতি বর্ণনায় জয়দেবের ভাষা অনুসরণ করেছেন। ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের নবম পরিচ্ছেদে হরিদাসী বৈষ্ণবী সেজে যে গান (‘ব্রজের সুখ রাই দিয়ে জলে/বিকাইনু পদতলে’) গেয়েছে তা জয়দেবের ‘স্মরগরলখণ্ডনং’ শ্লোককে মনে করিয়ে দেয়। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘কল্পনা’ কাব্যের ‘মদনভস্মের পূর্বে’ ও ‘মদনভস্মের পর’ কবিতায়, ‘মহুয়া’ কাব্যের ‘সাগরিকা’, ‘সোনার তরী’ কাব্যের ‘দুই পাখি’ কবিতায় জয়দেবের ছন্দকে অনুসরণ করেছেন।
তাই জয়দেবকে বাদ দিয়ে কি প্রাচীন, কি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কোনো যুগের আলোচনা পূর্ণ হতে পারে না। বাংলা সাহিত্যে জয়দেবের প্রভাব সাম্প্রতিক কাল পর্যন্ত অনতিক্রমণীয়। ভাব, ভাষা, ছন্দের সাগরিকা ‘গীতগোবিন্দ’ যেন পরবর্তী স্রোতরূপে প্রবহমান । জয়দেব তাই বাংলা সাহিত্যের আদিগুরু।
______________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________
EVERGREEN TUTORIAL STUDY CENTER
এভারগ্রীন টিউটোরিয়াল স্টাডি সেন্টার
WhatsApp – 8768868438
উন্নত মানের নোটস, অ্যাসাইনমেন্ট এবং সাজেশন এর একমাত্র নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ।
আমাদের সেন্টার থেকে নোটস নিলে আপনারা 70 % থেকে 80 % এর মতো কমন পেয়ে যাবেন ।
অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী তারা আমাদের সেন্টারের সমস্ত নোটস তৈরি করা হয়।
আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে সবসময় থাকার চেষ্টা করি এবং সমস্ত রকম ভাবে সাহায্য করার চেষ্টা করি ।
আপনারা আমাদের সেন্টার থেকে নোটস কেন নেবেন?
- BEST QUALITY NOTES
- PERFECT SUGGESTIONS
- ONLINE CLASSES
- FULL SUPPORT & GUIDE
- LOW PRICE
- PRINTED NOTES & SUGGESTIONS
- SPEED POST HOME DELIVERY
কমন যোগ্য নোটস সাজেশন নিতে অবশ্যই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন ।
EVERGREEN TUTORIAL STUDY CENTER
YOUR WAY TO SUCCESS
WhatsApp – 8768868438
*****************************************************************************************************************************
কেন আমাদের নির্বাচন করবেন ?
- PDF Sample Copy দেখে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে ।
- DTP করা নোট থাকবে।
- আমাদের নিজস্ব শিক্ষক,শিক্ষিকাদের দ্বারা বিভিন্ন রেফারেন্স বই ও নোট থেকে নোটস তৈরি করা হয় |
- পরীক্ষার আগে লাস্ট মিনিট সাজেশান পেয়ে যাবেন।
- সারাবছর সকল আপডেট ও সাহায্য পাবেন।
- 70 – 80% কমন যোগ্য সাজেশান।
- অনলাইন ক্লাসের ব্যাবস্থা।
- By Post, Cash On Delivery (COD) Available
- সমস্ত সেন্টারের থেকে কম মূল্যে উৎকৃষ্ট মানের নোটস ও অ্যাসাইনমেন্ট আমাদের সেন্টারেই পাবেন।
*******************************************************************************************************************************************************
join WhatsApp Youtube channel instagram
website facebook group facebook page
join telegram facebook profile
____________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________________
জয়দেবকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অনুর্ভুক্তির কারণ নির্দেশ করে পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাবের স্বরূপ বিশ্লেষণ করুন।